সুন্দরবন সংলগ্ন জয়মনিতে নির্মান হচ্ছে ৫০ হাজার মেট্রিকটন ধারন ক্ষমতা সম্পন্ন সাইলো, উন্নয়ন কাজ তদারকিতে খাদ্যমন্ত্রী

সুন্দরবন সংলগ্ন মংলা জয়মনি এলাকায় ৫০ হাজার মেট্রিকটন ধারন ক্ষমতা সম্পন্ন অত্যাধুনিক সাইলো নির্মান কাজ পরিদর্শন করেছেন খাদ্য মন্ত্রী ড. মো. আব্দুর রাজ্জাক।
মঙ্গলবার বেলা সাড়ে ১২ টায় মংলা বন্দর এলাকা থেকে প্রকল্পের অগ্রগতি পরিদর্শনে যান মন্ত্রী।
মোংলা শহর থেকে ১৭ কি:মিটার দক্ষিনে পশুর নদীর তীরে সুন্দরবনের পাদদেশে জয়মনিতে প্রায় সাড়ে ৫শ কোটি টাকা ব্যায়ে এই সাইলো নির্মানের ফলে মংলা বন্দরে আগত খাদ্য শষ্যসহ বিভিন্ন খাবার উপযোগী পন্য ওই সাইলোতে রাখা সম্ভব হবে।
বাংলাদেশ সরকার ও জাপানের জেডিসিএফ এর যৌথ অর্থায়নে খাদ্র মন্ত্রনালায় এই সাইলো নির্মানে দেশী-বিদেশী ১৩ ঠিকাদারী প্রতিষ্ঠান কাজ করছে। তবে মূল সাইলো ও জেটি নির্মান যৌখ ভাবে কাজ করছে দেশেয় ঠিকাদারী প্রতিষ্ঠান তমা কনস্টাকশন ও ভিয়েতনামের এশিয়ান স্লিপফর্শ কর্পোরেশন।
ইতিমধ্য শেষ হয়েছে এই প্রকল্পর স্টাফ ডরমেটারি ভবন, নদীর তীর সংরক্ষণ গাইডওয়ালসহ মূল সাইলোর মবিলইজেশন ও পাইলিংসহ ৩০ ভাগ নির্মান কাজ।
নির্মান কাজের অগ্রগতি পরিদর্শনে এসে খাদ্য মন্ত্রী আব্দুর রাজ্জাক বলেন, প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার অধীনে আগামী সংসদ নির্বাচন অনুষ্ঠিত হবে। আর সেই নির্বাচনে বিরোধীদলীয় নেত্রী বেগম খালেদা জিয়া প্রতিদ্বন্দ্বিতা করবেন বলে আশাবাদ ব্যক্ত করেন।
সাইলো পরিদর্শন কালে অনুষ্ঠিত আলোচনা সভায় অন্যান্যের মধ্যে বক্তৃতা করেন, খুলনা মহানগর আওয়ামীলীগের সভাপতি ও কেসিসি’র সাবেক মেয়র তালুকদার আব্দুল খালেক, খুলনা জেলা পরিষদের প্রশাসক ও সাবেক হুইফ হারুন অর রশিদ, বাগেরহাট-৪ আসনের সংসদ সদস্য ও জেলা আওয়ামীলীগের সভাপতি ডা. মোজাম্মেল হোসেন, বাগেরহাট -৩ আসনের সংসদ সদস্য বেগম হাবিবুন্নাহারসহ স্থানীয় জেলা ও উপজেলা প্রশাসনের কর্মকর্তা ও রাজনৈতিক নেতৃবৃন্দ।
প্রকল্প এলাকায় সর্বাক্ষনিক দেখভালের দায়িত্বে থাকা প্রকল্প পরিচালক যুগ্মসচিব মো: গাজী উর রহমান বাগেরহাট ইনফো কে জানান, প্রকল্প এলাকায় মিঠা পানির ব্যাবস্থা না থাকায় ঠিকাদার প্রয় অর্ধ কোটি টাকা ব্যায়ে লবন পানি মিষ্টিকরণ শোধনাগার  স্থাপন থেকে প্রতি ঘন্টায় ৫ হাজান লিটার লোনা পানি শোধন করে নির্মান কাঝে ব্যবহার করা হচ্ছে। এই সাইপো নির্মানকে কেন্দ্র করে সড়ক ও জনপথ বিভাগ প্রায় ১শ কোটি টাকা ব্যায়ে মংলা বন্দর থেকে জয়মনি পর্যন্ত ১৭ কি.মি. সড়ক প্রসস্থ করনের কাজ শুরু করেছে।
৩টি খালে উপর চলছে সেতু নির্মান কাজ। মংলা নদীর উপর সেতু নির্মানে মাটি পরীক্ষা শেষে চলছে সেতুর নকশা তৈরি।
এছাড়া প্রকল্প এলাকায় বিদ্যুৎ সরবরাহের জন্য বাগেরহাট পল্লী বিদ্যুৎ সমিতি অধিনে ৫ মেগাওয়াট ক্ষমতার ৩৩ কেভি সাব. স্টেশনসহ বিদ্যুৎ লাইনের কাজ চলছে।
মংলার জয়মনিতে অত্যাধুনিক এই সাইলো নির্মান কাজ শুরু হয় ২০১১সালের ২৩ নভেম্বর। আগামী বছরের জুন মাসে এই সাইলো নির্মান কাজ সম্পন্ন হওয়ার কথা রয়েছে।
প্রকল্প পরিচালক আরও জানান, এখানে বিশ্ব ব্যাংকের অর্থ্যায়নে ১লাখ টন ধারণ ক্ষমতার আরো  একটি ষ্টীল সাইলো নির্মান সরকারের বিবেচনায় রয়েছে।

  সেপ্টেম্বর ২০১৩ :: নিউজ ডেস্ক,
বাগেরহাট ইনফো ডটকম।।

ইনফো ডেস্কWriter: ইনফো ডেস্ক (1855 Posts)