রামপালে বিদ্যুৎ কেন্দ্র হলে দক্ষিন অঞ্চলের ব্যাপক উন্নয়ন

PM-in-Rampal-2শ্রীফলতলা স্কুল মাঠ (রামপাল, বাগেরহাট) থেকে : রামপালে বিদ্যুৎ কেন্দ্র হলে মংলা বন্দরসহ দক্ষিন অঞ্চলের ব্যাপক উন্নয়ন হবে। সুন্দরবনের ক্ষতি হবে এমন কোন কাজ আ’লীগ সরকার করবে না বলে প্রতিশ্রতি দিলেন প্রধান মন্ত্রী শেখ হাসিনা।
তিনি বলেন, বিদ্যুৎ কেন্দ্র হলে এঅঞ্চল আলোকিত হবে। গড়ে উঠবে ভারি শিল্প-কারখানা। চাকরি পাবে এ অঞ্চলের বেকার জনগন।
তিনি আজ দুপুরে রামপাল শ্রীফলতলা মাধ্যামিক বিদ্যালয় মাঠে জনসভায় বক্তব্য কালে এ প্রতিশ্রতি ব্যাক্ত বরেন।
এসময় তিনি রামপাল বিদ্যুত্ কেন্দ্রের বিপক্ষে আন্দলন কারীদের সমালচলা করে বলে যারা দূর্নীতি করতে পানেনা তারই ঢাকায় বসে এর সমালচরা করেন।
প্রধানমন্ত্রী তার বক্তবে বিগত বিএনপি-জামায়াত সরকারের বিভিন্ন কর্মকান্ডের সমালচনা করে বলেন, তারা ক্ষমতায় আসলে  শুধু লুট পাট আর মানুষ খুনের রাজনীতি করে। আর আওয়মী লীগ সরকার ক্ষমতায় আসলে দেশের উন্নয়ন হয়। দেশের মানুষ শান্তিতে থাকে।
আগামীতে আ’লীগ সরকার ক্ষমতারয় এলে রামপাল ডিগ্রী কলেজ সহ প্রতিটি উপজেলার একটি কলেজ ও এটি স্কুল সরকারী করণ। ভেড়া মারা থেকে মংলা প্রর্যন্ত গ্যাস সর্বারহের ঘেষনা দেন প্রধানমন্ত্রী।
তিনি বলেন, দেশ খাদ্যে স্বয়ংসম্পূর্ণ হছে। মংলায় সাইলো নির্মান শেষ হলে দূর্যোগ পূর্ণ এ এলাকায় খাদ্য নিরাপত্তা নিশ্চিত হবে।
এর আগে শ্রীফলতলা মাধ্যামিক বিদ্যালয়ে পৌঁছে সুন্দরবন ডিগ্রী মহিলা কলেজের ২০০ শয্যা বিশিষ্ট শেখ হাসিনা ছাত্রী নিবাস, রামপালের ডাকরায় মুক্তিযোদ্ধা স্মৃতিসৌধ, খুলনা ১৫০ মে:ও: বিদ্যুৎ কেন্দ্রের উদ্ভোধন কররেন। এছাড়া রামপাল ডিগ্রী কলেজের ‘বঙ্গবন্ধু একাডেমিক ভবন’, উপজেলা মুক্তিযোদ্ধা কমপ্লেক্স ভবনসহ ৯টি উন্নয়ন প্রকল্পের ভিত্তিপ্রস্তর স্থাপন করেন প্রধানমন্ত্রী।
প্রধানমন্ত্রীর আগমন উপলক্ষে উপজেলা জুড়ে গ্রহণ করা হয়েছে নিশ্চিদ্র নিরাপত্তা ব্যবস্থা। সভাস্থল ও এর চারপাসে গড়ে তোলা হয়েছে চার স্তরের নিরাপত্তা বলয়। সতর্ক অবস্থায় রয়েছেন আইন-শৃঙ্খলা বাহিনীর সদস্যরা।
সকাল থেকে মিছিল সহকারে সভাস্থল শ্রীফলতলা মাধ্যামিক বিদ্যালয় মাঠে আসতে শুরু করেন মংলা ও রামপাল (বাগেরহাট-৩ আসন) উপজেলাসহ বিভিন্ন এলাকার নেতাকর্মীরা।
এর আগে মংলা পৌঁছে জয়মনিরঘোলে নির্মানাধীন ৫০ হাজার মেট্রিক টন ধারণ ক্ষমতা সম্পান্ন সাইলো (খাদ্য গুদাম) নির্মান প্রকল্প ভিত্তিপ্রস্তর স্থাপন করেন প্রধানমন্ত্রী।
তার সাথে আছে বিদ্যুত্ উপদেষ্টা তৈফিক এলাহি চৌধরি, কেন্দ্রীয় আ,লীগ নেতা আব্দুর রাজ্জাক, তোফায়ের আহম্মেদ, আমির হোসেন আমু, খাদ্য মন্ত্রী আব্দুরাজ্জাক প্রমূখ।
জনসভায় ১৫ মিনিটের বক্তব্য শেষে তিনি হেলিকপ্টার যোগে রামপাল থেকে বাগেরহাটের উদ্দেশে যাত্রা করবেন।
এদিকে, প্রধানমন্ত্রী সভাস্থালে পেীঁছানর পর পর বন্ধকরে দেওয়া হয় সেখান কার সকল মোবাইল ফোনের নেটওয়ার্ক।

১৩ নভেম্বর ২০১৩ :: ইনজামামুল হক,
বাগেরহাট ইনফো ডটকম।

ইনফো ডেস্কWriter: ইনফো ডেস্ক (1855 Posts)