বিভীষিকা আর তন্দ্রাচ্ছন্ন থেকে তুলে আনতে চেয়েছি তোমায়

চারপাশে ঘুটঘুটে চিৎকার
অস্বস্তি প্রবাহ সমস্ত ধমনীতে
নীরব ঠাণ্ডা বিষদাঁত এখানে সেখানে
শব্দত্তর আর্তনাদ বিলীন হয় চঞ্চল বিদ্যুতে।
তোমার পায়ে ছিল বর্বরতার শিকল,
তালুতে কত শত বিদঘুটে আমাবস্যার চিহ্ন,
শুদুই জীবনের তাগিদে
ডানা ঝাপটে মুক্ত করেছ জীবন।

নতুন ভোরে খুঁজে পেলে সেই কৃষ্ণচূড়া।
একদিন যত্ন করে এনেছিলে তোমার বাগানে।
কিন্তু প্রখরতার আগেই সমস্ত পাতা ঝরে ও নগ্ন,
এতটুকুন ছায়ার আশাও নেই আনাচে কানাচে।
হয়ত তখনি কাঁধে কাঁধ রেখে দাড়াতে চেয়েছি
অপ্রস্থ হাতে ছায়া বানানোর নির্বাক চেষ্টা,
তাই মেলে ধরি এই খোলা পাঁজর।
হৃদপিণ্ডের অস্থির আওয়াজে হয়ত তুমি কিছুটা বিভ্রান্ত,
শুদু একটি বার হাত রেখে দেখ এখানে
কত শপথ, স্লোগানে মুখরিত সে জনপদ।
দুঃস্বপ্ন মুছে চল খেলি ডুবডুবি খেলা
সাঁতরে যাই শেষ মোহনায়…

স্বত্ব ও দায় লেখকের…
Pagol KobiWriter: Pagol Kobi (12 Posts)